ইউনেস্কো'র ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ এর তালিকায় মাউন্ট ফুজি
টোকিও-এইদেশ, শনিবার, জুন ২২, ২০১৩


ইউনেস্কো'র ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ কমিটি জাপানের মাউন্ট ফুজিকে ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইটের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শনিবার কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেন এ ইউনেস্কো'র কমিটি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়।

মাউন্ট ফুজি জাপানের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। এটিকে জাপানের একটি পবিত্র স্থান হিসেবে গণ্য করা হয় এবং জাপানের শিল্প ও সাংস্কৃতিকে পাহাড়টি নানা ভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।

নমপেনের বৈঠকে প্রায় ৫০ মিনিট ধরে মাউন্ট ফুজির উপর বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। ২০ সদস্যের প্রায় সকলেই আগ্নেয়গিরিটিকে ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেন। তারা আরো বলেন, জাপানের শিজুওকা প্রিফেকচারে অবস্থিত মিহো-নো মাৎসুবারা পাইন বনকেও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

জার্মানির এক সদস্য বলেন, শিল্পকলার বহু কর্ম পাইন বনের ৭ কিঃমিঃ অঞ্চলের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে।

শেষ পর্যন্ত কমিটি মাউন্ট ফুজি এবং মিহো-নো মাৎসুবারাকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

মাউন্ট ফুজি ইয়ামানাশি এবং শিজুওকা প্রিফেকচারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।

ইয়ামানাশি প্রিফেকচারের গভর্নর শোমেই ইয়োকোউচি বলেন, মাউন্ট ফুজিকে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইটের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে জাপানের জনগনকে সম্মানিত করেছে। তিনি মাউন্ট ফুজির পরিবেশ সংরক্ষণে তার সর্বোত্তম প্রচেষ্টা চালানোর প্রতিশ্রুতি দেন।

উল্লেখ্য, রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় ১০০ কিঃমিঃ দক্ষিন পশ্চিমে অবস্থিত মাউন্ট ফুজির সর্বশেষ উদ্গীরণ ঘটেছিলো প্রায় ৩০০ বছর আগে। বিশেষজ্ঞরা বর্তমানে মাউন্ট ফুজি আবার সক্রিয় হয়ে ওঠার সম্ভাবনার কথা বলছেন। আগ্নেয়গিরিটির ভেতরে লাভার চাপ বিগত অগ্নুৎপাতের সময়ের চেয়ে বেশি রয়েছে। লাভার চাপে পাহাড়ের একটি অংশ স্ফীত হয়ে উঠেছে বলেও তারা জানিয়েছেন। বলা হয়ে থাকে মাউন্ট ফুজিতে অগ্নুৎপাতের ঘটনা ঘটলে ছাইমেঘ ৩ ঘন্টার কম সময়ে রাজধানী টোকিওর উপর চলে আসতে পারে।