নারিতায় ক্ষ্মীণ হয়ে আসছে কৃষকের কন্ঠস্বর
টোকিও-এইদেশ, রবিবার, মে ০৫, ২০১৩


কোজি কিতাহারা হলেন চিবা প্রিফেকচারের নারিতা অঞ্চলের সামান্য সংখ্যক বাসিন্দাদের একজন যারা ৪০ বছর ধরে তাদের জমি রক্ষার লড়াইয়ে আত্মসপর্পণ করেনি। তাদেরকে নানা ভাবে উৎপীড়ন করা হয়েছে জমির দাবি ছেড়ে দিতে -তবে তারা হাল ছাড়েননি।

যারা বিমানবন্দরের জন্যে জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে ছিলেন নারিতা শহর এবং চিবা প্রিফেকচার কর্তৃপক্ষ তাদেরকে নিরুৎসাহিত ও হয়রানি করার উদ্দেশ্যে তাদের জমিতে যাবার পথ বন্ধ করে দেন। সেখানে তারা স্থাপন করেন নির্মাণ স্থল।

এরপর চাষীদেরকে বাধ্য করা হয় অন্য পথ ধরে জমিতে পৌঁছুতে। কর্তৃপক্ষ এ করেই ক্ষান্ত হননি, তারা চাষীদের বাড়ি-ঘর গুলো লোহার বেড়া দিয়ে ঘিরে দেন।

জাপানের উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রতীক জাপান আকা নারিতা নারিতা বিমানবন্দর। ১৯৬৬ সালের দিকে জাপানের মন্ত্রীসভা বিমানবন্দর নির্মাণের জন্যে জন্যে চিবা প্রিফেকচারের নারিতার কৃষি প্রধান অঞ্চলটিকে বেছে নেন। সে সময় তারা মনে করেছিলেন এই স্থানটি কানতো অঞ্চলের একমাত্র সমতল এলাকা যেখানে দ্রুত উন্নয়ন করা সম্ভব।

এনিয়ে রাজনীতিও কম হয়নি। আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা আসার আগেই রাজনীতিবিদরা মুনাফার আশায় নির্মাণ স্থলের জমি কিনে নেন। নারিতা বিমানবন্দরের নির্মাণ কাজ মোটেই খুব সুখকর ছিলোনা। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে সংবাদপত্রে জমি বাজেয়াপ্তের খবর দেখে গ্রামের স্থানীয় জমির মালিকরা প্রথমেই ফুঁসে ওঠেন। তারা প্রচন্ড রকম ক্ষুব্ধ হন এবং অনেকেই বিমানবন্দর নির্মাণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। নারিতা প্রকল্পের প্রায় অর্ধ শতাব্দী অতিক্রান্ত হলেও লড়াই এখনো থামেনি।